ইনজুরির কারণে ব্রাজিল জাতীয় দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে খেলতে পারবেন না তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। এমনকি বিশ্বকাপ...
ইনজুরির
কারণে ব্রাজিল জাতীয় দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
ম্যাচগুলোতে খেলতে পারবেন না তারকা ফরোয়ার্ড
নেইমার। এমনকি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও তার খেলা নিয়ে
শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার
(২৮ মে) তেরেসোপোলিসের গ্রানজা
কোমারিতে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান
ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার। এই তথ্য জানিয়েছে
ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যম গ্লোবো।
সংবাদ
সম্মেলনে লাসমার বলেন, ‘নেইমার গতকাল গ্রানজা কোমারিতে এসে সব ধরনের
মেডিকেল পরীক্ষা করান। এমআরআই রিপোর্টে তার কাফ মাংসপেশিতে
গ্রেড-২ ইনজুরি ধরা
পড়েছে। এটি শুধুমাত্র ফোলা
বা এডিমা নয়। তাকে পুরোপুরি
সুস্থ হতে দুই থেকে
তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’
তেরেসোপোলিসে
হওয়া পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে সান্তোসের দেয়া আগের রিপোর্টের
মিল পাওয়া যায়নি। সান্তোসের চিকিৎসক রদ্রিগো জোগাইব দাবি করেছিলেন, নেইমারের
সমস্যা কেবল এডিমা এবং
তিনি ২৭ মে থেকে
জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলনে
যোগ দিতে পারবেন। তবে
সেটি আর সম্ভব হয়নি।
সিবিএফ
চিকিৎসক লাসমার আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নেইমারের
চোট শুধুমাত্র এডিমা নয়। জাতীয় দলের
বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শুরুতেই তার শারীরিক অবস্থা
বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্রাজিল
ফুটবল কনফেডারেশন আগেই ধারণা করেছিল
যে ইনজুরিটি সাধারণ ফোলা নয়। জাতীয়
দলে যোগ দেয়া ২৩
ফুটবলারের নিয়মিত পরীক্ষার পর বাড়তি সতর্কতা
হিসেবে নেইমারকে আরও বিস্তারিত পরীক্ষার
জন্য তেরেসোপোলিসের একটি বিশেষ ক্লিনিকে
পাঠানো হয়।
যেসব
ম্যাচ খেলতে পারবেন না নেইমার
বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই থেকে তিন
সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে পারেন নেইমার। সে হিসেবে ১১
থেকে ১৮ জুনের মধ্যে
তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে বিশ্বকাপের
আগে ব্রাজিলের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে
খেলতে পারবেন না তিনি। আগামী
৩১ মে মারাকানায় পানামার
বিপক্ষে এবং ৬ জুন
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ মিস করবেন এই
ফরোয়ার্ড।
যদি
দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে
ওঠেন, তাহলে ১১ জুন থেকে
অনুশীলনে ফিরতে পারবেন। তবে ১৩ জুন
মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে তার পুরোপুরি
ফিট হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা
থেকেই যাচ্ছে। ব্রাজিলের দ্বিতীয় ম্যাচ ১৯ জুন হাইতির
বিপক্ষে।
দল পরিবর্তনের সুযোগ কবে পর্যন্ত
২০২৬ বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত
স্কোয়াড জমা দেওয়ার শেষ
সময় ১ জুন। এরপর
শুধুমাত্র গুরুতর অসুস্থতা বা ইনজুরির ক্ষেত্রে
ফিফার অনুমতি সাপেক্ষে কোনো খেলোয়াড়কে পরিবর্তন
করা যাবে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগ
পর্যন্ত পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।
মতামত দিন